লক্ষী মেয়েটা কে শুভকামনা

মাঝে মাঝেই ক্লাস শেষ হওয়ার সাথে সাথে সিম্মি দৌড় দিত দাবা ফেডারেশনে খেলার জন্য। কোনও কোনও দিন আমি যেতাম খেলা দেখতে। দুঃখের বিষয় যেদিনই আমি যেতাম সেদিনই ও হেরে যেত! আমি গেলেই সম্ভবত “কুফা” লেগে যেত। এই কারণে কিছুদিন পর থেকে সিম্মির খেলা থাকলে আমি দাবা ফেডারেশনের আশে পাশে যাওয়াই বন্ধ করে দিলাম। লক্ষী মেয়েটা বেশ সেলিব্রিটি খেলোয়াড় হয়ে গেছে। আর আমিময় আমার বেশ গর্ব লাগছে মেয়েটাকে আমার বন্ধু বলতে পেরে। অনেক শুভকামনা তোর জন্য।

দুঃস্বপ্ন

একটা ফোটাও পড়া হয় নাই, কিন্তু একটু পরেই ইন-কোর্স শুরু হবে। ধুর। এরকম ভাবতে ভাবতেই তুপার পাশে গিয়ে বসলাম। এই একটা মেয়ে, মাশাল্লাহ! পড়ালেখা ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না। পি.এল. এর ছুটিতে বৃষ্টির রাতে ১৪টা মোম বাতি জ্বালিয়ে সারারাত অঙ্ক করেছে! কারেন্ট নাই, কোথায় একটু বৃষ্টি দেখবে, নাহয় মোবাইলে প্রেম করবে… মেয়েটা পারেও! যাই হোক ওর […]